কখন সন্দেহ করবেন, আপনার যক্ষ্মা হয়েছে

0
90

যক্ষ্মা একটি বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা । যে কারোরই যক্ষ্মা হতে পারে। তবে যক্ষ্মারোগীর কাছাকাছি থাকেন এমন ব্যক্তি, যেমন পরিবারের সদস্য, নার্স বা সেবা-শুশ্রূষাকারী , চিকিৎসক এদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে । এছাড়া ধূমপান, মাদকাসক্তি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, বার্ধক্য, অপুষ্টি ইত্যাদি যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়ীয়ে থাকে । তবে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে তারা যক্ষ্মায় খুবই ঝুঁকিতে থাকে ।

গবেষণা করে দেখা গেছে ,শতকরা ৮৫ ভাগ যক্ষ্মা ফুসফুসে হয়ে থাকে । যেমন, ফুসফুসের আবরণী,  মস্তিষ্ক ও এর আবরণী, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, হাড় বা ত্বকেও যক্ষ্মা হতে পারে ।

যক্ষ্মার জীবাণু

যক্ষ্মার জীবাণু চারপাশের পরিবেশে এবং বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে । তবে জীবাণু শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে ছড়ায় । এজন্য আমরা যক্ষ্মার জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকি । তবে অনেক সময় জীবাণু সুপ্ত অবস্থায় থাকে, তখন এর উপসর্গ বোঝা যায় না এবং রোগ ছড়ায় না।

কখন সন্দেহ করবেন

তিন সপ্তাহের অধিক সময় ধরে শুকনো বা কফযুক্ত কাশির সঙ্গে রক্ত, বুকে ব্যথা, অবসাদ, অরুচি, ওজন হ্রাস, সন্ধ্যায় হালকা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (৯৯-১০১ ডিগ্রি), রাতে ঘাম হলে অবশ্যই  পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা উচিত। এছাড়া লসিকাগ্রন্থির স্ফীতি, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন, পেটব্যথা, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে পড়া, বুকে বা পেটে পানি জমা ইত্যাদিও যক্ষ্মার ভিন্ন উপসর্গ হতে পারে ।

যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে

চিকিৎসায় সম্পূর্ণরূপে যক্ষ্মা ভালো হয় । যক্ষ্মার জন্য দুই ধরনের চিকিৎসা আছে । এক, ছয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া । অপরদিকে , আট–নয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া । যক্ষ্মা প্রতিরোধে জন্মের পরপর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দেওয়া হয় । এছাড়া হাঁচি, কাশি ও কফের মাধ্যমে এ রোগ ছড়িয়ে থাকে । এজন্য , রাস্তাঘাটে হাঁচি-কাশির বেগ এলে মুখে রুমাল চাপা দেওয়া এবং যেখানে সেখানে কফ ফেলা যাবে না ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here