প্লাস্টিকের কাপে চা পানে হচ্ছে ভয়াবহ ক্ষতি

0
33

চা একটি জনপ্রিয় পাণীয়। সারা দিনের কাজের ক্লান্তি দূর করতে এক কাপ চা বা কফির বিকল্প নেই। তবে এই চা বা কফি পানের ক্ষেত্রে সর্তক থাকতে হবে। সবার আগে দেখতে হবে কোন কাপে চা পান করতে যাচ্ছেন । কাপটি যদি প্লাস্টিকের হয় তবে ভুলেও এই কাপে চা পান করবেন না।

রাস্তার ধারের কোনও দোকানে দাঁড়িয়ে চা-কফি খাওয়া মানেই হলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্লাস্টিকের কাপে খাওয়া।এসব অভ্যাস ত্যাগ করুন।

গবেষকদের মতে, ভুলেও প্লাস্টিকের কাপে চা খাওয়া ঠিক নয়।

তাদের মতে, প্লাস্টিকের তৈরি পানির বোতল ও শিশুদের দুধের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্রের খাবার মাইক্রোওয়েভেনে গরম করা, প্লাস্টিক মোড়কে বিক্রি হওয়া খাবার ডেকে আনছে এমন নানা রোগ।

গবেষকদের মতে, প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা বিসফেনল-এ নামের টক্সিক এ ক্ষেত্রে বড় ঘাতক। গরম খাবার বা পানীয় প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এলে ওই রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মেশে। এটি নিয়মিত শরীরে ঢুকলে নারীদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণু কমে যায়।

এছাড়া হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বকও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকী, স্তন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

গবেষণায় থেকে আরো জানা যায়, প্লাস্টিকের কাপ তৈরিতে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়, সেগুলি বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে ক্লান্তি, হরমোনের ভারসাম্যতা হারানো, মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়া-সহ একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

যেমন, বোতল বা পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত পলিভিনাইল ক্লোরাইডকে (পিভিসি) নরম করা হয় থ্যালেট ব্যবহার করে। এই থ্যালেট আমাদের শরীরের পক্ষে বিষ।

শরীরে এই রাসায়নিক নিয়মিত ঢুকতে থাকলে শ্বাসকষ্ট, স্থূলতা, টাইপ ২ ডায়াবিটিস, কম বুদ্ধাঙ্ক, অটিজম, ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো অসুখ শরীরে বাসা বাঁধে। তাই দীর্ঘদিন সুস্থ শরীরে বাঁচতে এখই বর্জন করুন- প্লাস্টিকের কাপ, গ্লাস, পাত্র।

সূত্র: জি-নিউজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here